বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরি

খাবার ও পানীয়

এ গ্রুপে খাবার, পানীয়, যবেহ ও শিকার সংক্রান্ত আলোচনা স্থান পাবে।

আইটেম সংখ্যা: 16

  • PDF

    এ ফতওয়াটিতে শিয়াদের হাতে জবেহ করা জন্তু খাওয়া হালাল হবে কিনা সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

  • PDF

    এ ফতোয়ায় এক প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে যে, নির্দিষ্ট পাত্রে পান করা সুন্নত নয়।

  • প্রশ্ন : মহিলাদের জন্য প্রাণী জবাই করা বৈধ কি-না? তাদের জবেহকৃত জন্তু খাওয়া জায়িজ কি-না জানতে চাই?

  • শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ - হাফিযাহুল্লাহ - একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্ন এই :(খুবই লোভনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ আমি এক কোম্পানিতে কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। আমার কাজের ধরনটা হবে কোম্পানির গবেষণাগারে শূকরের জিন বিষয়ে গবেষণা করা। এসব গবেষণার সর্বশেষ উদ্দেশ্য হল শূকরের জাত ও উৎপানে উন্নয়ন সাধন। আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে শূকরের সংখ্যা পরিবর্ধন ও শূকরের গোশতের বৈশিষ্ট উন্নতকরণ এবং মানুষের ব্যবহারের জন্য তা বাজারে ছড়িয়ে দেয়া। অর্থাৎ আমার বেতনের উৎস হবে মানুষ কর্তৃক শূকরের গোশত ক্রয় ও ব্যবহার। এখন প্রশ্ন হল, এ ধরনের উৎস থেকে অর্জিত সম্পদ কি বৈধ হবে? আমি কি চাকরিটা নেব? না প্রত্যাখ্যান করব? দ্রুত উত্তর দিলে কৃতজ্ঞ হব যাতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পরি। আল্লাহ আপনাদেরকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।)

  • শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নটি হল এই : (আমি একজন মুসলিম যুবক। আমি পাশ্চাত্যের একটি দেশে খাদ্যের গোডাউনে কাজ করি। আমি খাদ্যদ্রব্য বাজারে সাপ্লাই করি, দোকানে দোকানে দিয়ে আসি। আমি এসব খাদ্য একত্রিত করি ও ট্রাকে উঠাই। এতে যেমন থাকে বিভিন্ন ফলমূল, শাক-সবজি তেমনি থাকে মাংস, দুধ। অনেক সময় এমন সম এমন গ্রাহকের সাক্ষাৎ পাই যে শূকর অথবা শকরজাত কোনো দ্রব্য চেয়ে বসে, তখন আমরা এগুরো একটিত করতে ও ট্রাকে উঠাতে বাধ্য হই । আমার প্রশ্ন হল: শরীয়তের দৃষ্টিতে এ কাজটি করার বিধান কি? উল্লেখ্য যে, যেসব খাবারের দোকান ও ক্যাফেতে কাজের সুযোগ রয়েছে সবগুলোতেই শুকরের গোশ্ত পরিবেশন করা হয়।

  • জীবজন্তুর জন্য খাবার তৈরির কাজ করা কি বৈধ? শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ - হাফিযাহুল্লাহ- গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশ্নটির উত্তর দেন।

  • শূকরের স্পর্শে-আসা পাত্রে পাকানো হালাল গোশত খাওয়া যাবে কি-না এজাতীয় একটি প্রশ্নের উত্তর দেন শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল মুনাজ্জিদ- হাফিযাহুল্লাহ-, মূল প্রশ্নটি এই: ( এমন রেস্টুরেন্টে গোশত খাওয়া কি বৈধ হবে যেখানে শূকরের গোশত ও মদ পরিবেশন করা হয়, এমতাবস্থায় যে আমরা জানি না, পরিবেশনকৃত গোশত হালাল তরিকায় যবেহকৃত জন্তুর কি-না ? উপরন্তু শূকর ও অন্যান্য জন্তুর গোশত অভিন্ন ফ্রিজে রাখা হয় এবং অভিন্ন পাত্র দিয়ে পাকানো হয়।

  • শায়খ সাআদ আল হুমাইদ- হাফিযাহুল্লা- হালাল খাদ্যে কোনো হারাম বস্তু মিশ্রণ সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নটি হল এই : (যেসব বস্তু, খাদ্যে বাড়িয়ে দিলে, খাদ্য হারাম হয়ে যায় সে বস্তুগুলো সম্পর্কে বলবেন কি?) হলান্ডে একটি সংবাদ বিবরণীতে, খাদ্যে ব্যবহৃত অতিরিক্ত ফ্লেবার সম্পর্কে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়। এটা ছিল ve-tsin নামের চাইনিজ ফ্লেবার সংক্রান্ত যা শূকরের এনজাইম ও প্রোটিন থেকে তৈরি। প্রশ্ন হল, এটা ব্যবহৃত খাদ্য কি মুসলমানের জন্য হারাম বলে গণ্য হবে? যখন কেউ বাজারে যায় এমন অনেক বস্তু পায় যাতে E এবং C নাম্বারের বস্তু বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো হল স্বাদ ও রঙ নির্দেশক। তবে এ বস্তুগুলোর উৎস কী তা অজানা। অনেকেই এ বস্তুগুলো ক্রয় করে থাকেন সাত-পাঁচ না ভেবেই। এ আচরণ অশুভ নিঃসন্দেহে। আমি আমার পরিবার ও বন্ধুবান্ধবকে এ জাতীয় অজ্ঞতা থেকে রক্ষা করতে চাই। আমি জানতে চাই, কেউ কি আমাকে ঐ বস্তুগুলোর একটা লিস্ট দিতে পারবেন যাতে হারাম জিনিস রয়েছে?

  • শূকরের অপবিত্রতা থেকে কীভাবে পবিত্রতা অর্জন করা যায়, শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ এ বিয়ষে একটি প্রশ্নের উত্তর দেন, প্রশ্নটি হল এই ( ছোটকালে আমি আমার পরিবারের সাথে বাইরে সফর করি। সফরকালে একসময় আমাদের বিসু্কট দেয়া হল। মা যখন এ ব্যাপারে জানলেন তিনি আমাকে নিষেধ করলেন। যতটুকু মনে পড়ে, আমরা আমাদের হাত ও মুখ পানি ও মাটি দিয়ে ( ৭ বার যার একবার হবে মাটি দিয়ে) শূকর স্পর্শকারী অথবা শূকরের কোনো কিছু স্পর্শকারীর ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের যেরূপ নির্দেশ কবেছেন, সেভাবে ধৌত করি নি, । এর কয়েক বছর পর আমি আবারও বাইরে যাই, এবং ভুলক্রমে শূকরের গোশত খেয়ে ফেলি তবে আমার হাতে, মুখে, শূকরের কোনো চিহ্নই অবশিষ্ট থাকে নি। তার গন্ধ, স্বাদ বা রঙ কোনোটিই অবস্থিত থাকে নি। প্রশ্ন হল, এখন কি আমার হাত-মুখ কি এখন ধৌত জরুরি? আমার তো ভয় হচ্ছে যে উলি্লখিত দুই ঘটনার কারণে আল্লাহ আমাদের সালাত কবুল করবেন না। আশা করি বিষয়টি পরিষ্কার করে বললেন।)

  • শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ - হাফিযাহুল্লাহ-শূকরের অপবিত্রতা বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেন, প্রশ্নটি হল “ আমি পড়েছি যে, যেসব থালা-বাসন, চামচ, চাকু শূকরের গোশতের স্পর্শে এসেছে সেগুলো সাতবার পানি দিয়ে এবং একবার বালু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে, কথাটা কি শুদ্ধ? এ ব্যাপারে কি কোনো হাদীস এসেছে? একবার সাবান দিয়ে ধুয়ে নিলেই কি হয়ে যাওয়ার কথা নয়?

  • শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নটি হল এই: (আমি একটি নৌযান এজেন্সিতে কাজ করি, চলাচলকারী জাহাজগুলোকে আমরা সেবা দিই। এ জাহাজগুলোর অধিকাংশই ভিনদেশী এবং এর কর্মকর্তা কর্মচারীরা অমুসলিম। কম্পানির মালিক কখনো কখনো এসব জাহাজে শূকরের গোশত বিক্রি করে থাকেন। এর দ্বারা যে লাভ হয় তা আমাদের মাঝে বন্টন করে দেন। আমরা তা গ্রহণ করি এ হিসেবে যে অমুসলিমদের জন্য শূকরের গোশত বিক্রি করা জায়েজ, হারাম নয়। অমুসলিমদের কাছে শূকরের গোশত বিক্রি করা হরাম এ মর্মে কুরআন সুন্নায় কোনো টেক্সট আসে নি। তদ্রূপভাবে মদের সাথেও শূকরের গোশতের কোনো তুলনা চলে না; কেননা শূকরের গোশত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লামের যুগেও পাওয়া যেত। তাই তিনি যদি তা হারাম করতেন ও তার প্রতি লানত করতে চাইতেন তা হলে অবশ্যই করতেন। সে কথা যাক। আমাদের কোম্পানির মালিক শূকরের গোশত বিক্রির যে পয়সা আমাদেরকে দেন তা কী হালাল না হারাম? বিষয়টি কি এরকম যে আমরা যেহেতু শূকরের গোশত বিক্রয়ে শরিক নই, বরং কোম্পানির মালিক আমাদেরকে দান হিসেবে দেন, তাই এ দান গ্রহণ করা কি আমাদের জন্য বৈধ? আমরা তো জানি এর উৎস কি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কি সরাসরি, দ্ব্যর্থহীন, অকাট্য কোনো হাদীস এসেছে যেখানে তিনি শূকরের গোশত অমুসলিমদের কাছে বিপনন করা হারাম বলে ঘোষণা করেছেন। আর শূকরের গোশত তো আহলে কিতাবদের জন্য হালাল।)

  • খাদ্য ও খাদ্য-বক্ষকের প্রকৃতির মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি-না বক্ষ্যমাণ ফতোয়ায় শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ এই প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিয়েছেন।

  • MP3

    আমরা কোরিয়াতে থাকি। আমরা গোশত ছাড়া অন্যান্য খাবার কি খেতে পারি?

  • MP3

    প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন শায়খ আবেদ খান কারী-হাফেজাহুল্লাহু- শুকরের চামড়া পাক হওয়া সম্পর্কে প্রশ্ন

  • রাফেজীদের হুছাইনী উৎসব ও এ উপলক্ষে পশু জবেহ এর ব্যাপারে বিধান

আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ