রমজানের কাজার নিয়তে সন্দেহের দিন রোজা রাখা

বর্ণনা

রমজানের কাজার নিয়তে সন্দেহের দিন রোজা রাখা.

Download
এ পেইজ এর দায়িত্বশীলের কাছে টীকা লিখুন

সম্পূর্ণ বিবরণ

    রমযানের কাযার নিয়তে সন্দেহের দিন সাওম পালন করা

    صيام يوم الشك بنية قضاء ما فات من رمضان

    < بنغالي- Bengal - বাঙালি>

    মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ

    محمد صالح المنجد

    —™

    অনুবাদক: সানাউল্লাহ নজির আহমদ

    সম্পাদক: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

    ترجمة: ثناء الله نذير أحمد

    مراجعة: د/ أبو بكر محمد زكريا

    রমযানের কাযার নিয়তে সন্দেহের দিন সাওম পালন করা

    প্রশ্ন: আমি জানি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্দেহের দিন এবং রমযানের দু’দিন আগে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু এ দিনগুলোতে গত রমযানের ছুটে যাওয়া সাওমের কাযা করা কি আমার জন্য বৈধ হবে?

    জবাব: আল-হামদুলিল্লাহ

    হ্যাঁ, সন্দেহের দিন অথবা রমযানের এক অথবা দু’দিন পূর্বে গত রমযানের কাযা করা বৈধ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত যে, তিনি সন্দেহের দিন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। অনুরূপ তিনি একদিন অথবা দু’দিনের মাধ্যমে রমযানকে এগিয়ে আনতে নিষেধ করেছেন; কিন্তু এ নিষেধ মানুষের সাওম পালনের সাধারণ অভ্যাস না থাকলে যারা নির্দিষ্ট দিনে নিয়মিত সাওম রাখে তাদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

    «لا تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلا يَوْمَيْنِ إِلا رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا فَلْيَصُمْهُ».

    “তোমরা একদিন বা দু’দিনের সাওমের মাধ্যমে রমযানকে এগিয়ে আনবে না, তবে সেদিন যার সাওম রাখার অভ্যাস, সে যেন তাতে সাওম পালন করে।” (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯১৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৮২)

    উদাহরণত: যদি কোনো ব্যক্তি সোমবার সাওম রেখে অভ্যস্ত হয়, আর সেদিনটি শাবানের শেষ দিন হয়, তবে নফল হিসেবে সেদিন সাওম রাখা বৈধ, সেদিনের সাওম থেকে তাকে বারণ করা হবে না।

    যখন অভ্যাসগত নফল সাওম রাখা বৈধ, তখন রমযানের কাযা তো বৈধ হবেই, যেহেতু তা ওয়াজিব। দ্বিতীয়ত: আগত রমযানের পর পর্যন্ত কাযা বিলম্বিত করা বৈধ নয়।

    ইমাম নাওয়াবী রহ. ‘মাজমু’: (৬/৩৯৯), গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের সাথীবৃন্দ বলেছেন: সন্দেহের দিনে রমযানের সাওম রাখা অবৈধ এতে কোনো দ্বিমত নেই, তবে সেদিন যদি সে কাযা অথবা মানত কিংবা কাফফারার সাওম রাখে, তবে তার থেকে তা আদায় হয়ে যাবে। কারণ, যদি কোনো কারণে সেদিন নফল সাওম রাখা বৈধ হয়, তবে ফরয তো বৈধ হবেই। বিষয়টি সালাতের নিষিদ্ধ ওয়াক্তের মতো...

    দ্বিতীয়ত: যদি তার উপর একদিনের রোজার কাযা থাকে, তবে এদিন কাযা করা তার জন্য নির্ধারিত ও জরুরি। কারণ, সেই সাওমের কাযার সময় সংকীর্ণ হয়ে গেছে।

    সমাপ্ত

    আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ