ঋতুস্রাব কয়েকবার বেড়ে গেছে, কীভাবে সে সিয়াম পালন করবে?

বর্ণনা

ফতোয়াটি একটি প্রশ্নের উত্তর। প্রশ্নটি হল: প্রথম বছর আমার ৬ থেকে ৭ দিন মাসিক হয়। দ্বিতীয় বছর আমার প্রায় ৯ দিন মাসিক হয়। দ্বিতীয় বছরের শেষ ও তৃতীয় বছরের শুরুতে আমার ২ থেকে ৩ তিন সপ্তাহ মাসিক হয়। রমজানে আমার ১৮ দিন মাসিক হয়। রমজানের ৩ দিন পূর্বে আরম্ভ হয়ে ১৫ রমজান পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এমতাবস্থায় রমজানের কাজা আদায়ের বিধান কি?

Download
এ পেইজ এর দায়িত্বশীলের কাছে টীকা লিখুন

সম্পূর্ণ বিবরণ

    ঋতুস্রাব কয়েকবার বেড়ে গেছে, কীভাবে সে সিয়াম পালন করবে?

    زادت دورتها عدة مرات فكيف تصنع بالصيام؟

    < بنغالي- Bengal - বাঙালি>

    ইসলাম কিউ, এ

    الإسلام سؤال وجواب

    —™

    অনুবাদক: সানাউল্লাহ নজির আহমদ

    সম্পাদক: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

    ترجمة: ثناء الله نذير أحمد

    مراجعة: د/ أبو بكر محمد زكريا

    ঋতুস্রাব কয়েকবার বেড়ে গেছে, কীভাবে সে সিয়াম পালন করবে?

    প্রশ্ন: প্রথম বছর আমার ৬ থেকে ৭ দিন মাসিক হয়। দ্বিতীয় বছর আমার প্রায় ৯ দিন মাসিক হয়। দ্বিতীয় বছরের শেষ ও তৃতীয় বছরের শুরুতে আমার ২ থেকে ৩ তিন সাপ্তাহ মাসিক হয়। রমযানে আমার ১৮ দিন মাসিক হয়। রমযানের ৩ দিন পূর্বে আরম্ভ হয়ে ১৫ রমযান পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এমতাবস্থায় রমযানের কাযা আদায়ের বিধান কী?

    উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ

    মাসিকের অধিকাংশ মেয়াদ কী, এ ব্যাপারে আলেমদের মতভেদ রয়েছে। বিশুদ্ধ মতে কম বা বেশি মাসিকের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। মাসিক কম বা বেশি হতে পারে। মূলত মাসিকের রক্তই এ ব্যাপারে মূল বিষয়, নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নয়।

    শাইখ উসাইমীন বলেছেন, “শাইখুল ইসলাম, ইবনুল মুনযির ও আলেমদের একটি জামা‘আতের অভিমত: ঋতুস্রাবের সংখ্যার কোনো বিশুদ্ধতা নেই। নারীরা যখন রক্ত দেখে মনে করবে এটা স্রাবের রক্ত, তবে তাই স্রাবের রক্ত। এর দলীল আল্লাহ তা‘আলার বাণীর ব্যাপকতা। তিনি বলেন,

    ﴿وَيَسۡ‍َٔلُونَكَ عَنِ ٱلۡمَحِيضِۖ قُلۡ هُوَ أَذٗى[البقرة: ٢٢٢]

    “তারা আপনার কাছে ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, আপনি বলুন তা নাপাক”[সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২২২]

    তাঁর বাণী: أَذًى কথাটি কারণের সাথে সংশ্লিষ্ট। যদি এ জাতীয় রক্ত দেখা যায় এবং প্রমাণিত হয় যে, তা অন্য কোনো রোগজনিত রক্ত নয়, তবে তা ঋতুস্রাব।

    সূত্র: আশ-শারহুল মুমতে: ১/৪০২

    তিনি আরও বলেন: “এমন নারীও রয়েছে, যে লাগাতার চার মাস পবিত্র থাকে, অতঃপর পূর্ণ একমাস মাসিক হয়। হয়তো রক্ত জমা হতে থাকে, অতঃপর একসাথে আসা আরম্ভ করে। আল্লাহই ভালো জানেন।

    কোনো কোনো নারী এমন আছে যার মাসে তিনদিন অথবা চারদিন অথবা পাঁচদিন অথবা দশদিন মাসিক হয়”। সূত্র: প্রাগুক্ত

    এ হিসেবে রক্ত দেখার সময় থেকে পবিত্রতার পূর্ব পর্যন্ত মাসিক বলেই গণ্য হবে। যদিও তা ১৫ দিনের বেশি হয়, যতক্ষণ না মাস অতিক্রম করে অথবা যদি পুরো মাসে মাত্র একদিন বা দু’দিন বন্ধ হয়, তবে তা ইস্তেহাযা বলে গণ্য হবে। আল্লাহই ভালো জানেন।