• ‘ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচ্য ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক ড. মুহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী, ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব ও আমাদের করণীয় কী তা বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। ইসলামী শিক্ষা বলতে মূলতঃ কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাকেই বুঝানো হয়, আর এ শিক্ষার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বেসর্বা আল্লাহর পরিচয় লাভ করা। আল্লাহর পরিচয় এবং তাঁর কাছে জবাবদিহিতার ভয় তথা তাকওয়াই পারে মানুষকে প্রকৃত মানুষ বানাতে। একজন মুত্তাকী বা আল্লাহভীরু ব্যক্তি লোকসমাজে শিক্ষিত বা অশিক্ষিত যা-ই গণ্য হোন না কেন, তার হাতে কেউ অনিষ্টের শিকার হবে না। তিনি যে দিকেই যাবেন শুধু আলোই ছড়াবেন। সম্মানিত আলোচক আরো উল্লেখ করেন, ইসলামের আনীত আকীদা, মূল্যবোধ ও শিক্ষাদান পদ্ধতির জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের জন্য সব দিক থেকে মুসলিমকে পরিপূর্ণরূপে গড়ে তোলা অনিবার্য।

  • ‘ইসলামিক অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ (প্রশ্নোত্তর পর্ব)’ শীর্ষক আলোচ্য ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক ড. মুহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী, ইসলামী অর্থনীতির মৌলিক বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন। ইসলামিক অর্থনীতি ও বাকি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাসমূহ কীভাবে পরিচালনা করবে, রিবা বিষয়ে, হালাল ও হারাম বিষয়ে ও আরো গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রশ্নের উত্তর সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন আলোচ্য ভিডিও রেকচারটিতে।

  • ‘ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা প্রশ্নোত্তর পর্ব’ শীর্ষক আলোচ্য ভিডিও লেকচারটিতে ইসলামী অর্থ ব্যবস্থার সাথে রিবাভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার পার্থক্য কোথায়, কীভাবে ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা যায় তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেন সম্মানিত আলোচক ড. মুহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী।

  • ‘ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা’ শীর্ষক আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক ড. মুহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী, ইসলামী অর্থব্যবস্থা কী এবং এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচক উল্লেখ করেন, ইসলামী অর্থনীতি ইসলামী আইনের একটি প্রসিদ্ধ মূলনীতি যেটি গ্রহণ করা হয়েছে শর‘ঈ মূলনীতি থেকে। ইসলামী অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা প্রতিটি মুসলিমের ঈমানের দাবী। আর ঈমান বাঁচানোর কাজ উলামায়ে কিরামই বেশি করে থাকেন। ইসলামী অর্থ ব্যবস্থার বিষয়টি কেমন, শরী‘আর মাধ্যমে কীভাবে অর্থ ব্যবস্থাকে পরিচালনা করা হয়, আলোচক তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।

  • ‘সব শির্কের মূল কারণ ও সর্বপ্রথম দাওয়াতের বিষয়’ শীর্ষক আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর শির্ক ও তার ভয়াবহতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। ইসলামের প্রথম কথা হলো আল্লাহর একত্ববাদ যাকে তাওহীদ বলে। এর বিপরীত হচ্ছে শির্ক, যার অর্থ অংশিদারত্ব। শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় গুনাহ। আল্লাহ তা‘আলা তা কখনো ক্ষমা করবেন না, অন্যান্য গুনাহ আল্লাহ ইচ্ছে করলে ক্ষমা করে দিবেন। কারো অন্তরে, কথায়স অথবা কর্মে যদি শির্ক থাকে তাহলে তার সব আমল বাতিল হয়ে যাবে। তাওবা না করে যদি মারা যায় তাহলে চিরস্থায়ী জাহান্নামে যেতে হবে। তাই সত্যিকারের তাওহীদে বিশ্বাস ও শির্ক থেকে বেঁচে থাকা ব্যতীত জান্নাত হাসিল করা সম্ভব নয়। এতএব, আমাদেরকে আকীদার ক্ষেত্রে শির্কমুক্ত তাওহীদপন্থী এবং আমলের ক্ষেত্রে বিদ‘আতমুক্ত সুন্নাতপন্থী হতে হবে।

  • ‘তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব ক্লাস’ শীর্ষক আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর দীন ইসলাম ও বাকি ধর্মগুলোকে নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেছেন। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব হলো ধর্ম নিয়ে গবেষণার বিভিন্ন শাখার অন্যতম শাখা। এটা পৃথিবীর ধর্মগুলোর বিভিন্ন আইন-কানূন ও বিধি-বিধানের তুলনামূলক আলোচনা করে। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধর্মের অভ্যন্তরীণ মৌলিক দর্শন ও চিরমুক্তির ধারণা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দান করে। এটা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান একজন মানুষকে ধর্ম ও বিশ্বাস সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দান করে। সত্যিকারের ধর্ম কী এবং একজন মানুষ কীভাবে তা সহজে বুজতে পারবে সম্মানিত আলোচক উক্ত লেকচারটিতে উল্লেখ করেছেন।

  • “সালাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা” শীর্ষক আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সালাতের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। সালাত আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল ও তাঁর নৈকট্য লাভের ও মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ। আল্লাহ তা‘আলা মানুষ ও জিন্ন উভয় জাতিকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সালাত এমন এক ইবাদত যা সারা বছর দৈনিক পাঁচবার আদায় করতে হয়, মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অবস্থাতেই তা মাফ হয় না এমনকি মৃত্যুশয্যাতেও সালাত হতে বিরত থাকার কোনো বিধান নেই। আর সালাত বাস্তবায়িত হয় তার বিধানাবলী তথা রুকন ও ওয়াজিবসমূহ শিক্ষা, সালাতে একাগ্রতা ও পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমেই।

  • “হারাম মাসের মর্যাদা” শীর্ষক আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী হারাম মাসের গুরুত্ব ও মর্যাদা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আলোচক উল্লেখ করেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা ১২টি, যা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সেই দিন থেকে চালু আছে যে দিন আল্লাহ তা‘আলা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এর মধ্যে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ। এটিই দীন (এর) সহজ সরল (দাবী)। (সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৩৬)। উল্লিখিত চারটি মাস হলো যিলকদ, যিলহজ, মুহাররাম ও রজব। এসব মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ, কলহ-বিবাদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ মাসের আমলকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হলো বর্জনীয় আমল, অন্যটি হলো করণীয় আমল। অর্থাৎ হারাম মাসের বর্জনীয় কাজসূমহ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ মোতাবেক করণীয় আমলসূমহ করার মাধ্যমে হারাম মাসের মর্যাদা সুমুন্নত করতে হবে।

  • “হজ শিক্ষা পর্ব ৩” শীর্ষক অডিও লেকচারটিতে, হজের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়া ও আখিরাতের নানাবিধ কল্যাণ অর্জনকে হজের লক্ষ্যমাত্রা ও মূলমর্ম বলে উল্লেখ করেন সম্মানিত আলোচক ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী। আলোচক আরো উল্লেখ করেন যে, হজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল স্থান ও কালকে সম্মান করা, হজের মাধ্যমে পরকালকে স্মরণ করা, কিয়ামতকে স্মরণ করা, আর হজের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো হজের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন নিশ্চিত করা এবং হজের মাধ্যমে আমরা যেন পরকালের মুক্তির দিশা লাভ করতে পারি সেদিকে পূর্ণ দৃষ্টি রাখা।

  • হজের শিক্ষার মধ্যে যে বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ তা হলো হজের নানা প্রকার আমল এখলাসের সহিত সম্পন্ন করা। হজের মূল শিক্ষা হলো তাওহীদ তথা একত্ববাদের চর্চা ও প্রতিষ্ঠা করা। সম্মানিত আলোচক উল্লেখ করেন যে, হজে ইবাদাত পালনে ইখলাস ও ঐকান্তিক নিষ্ঠা যেন অর্জিত হয় এবং রিয়া ও প্রদর্শনেচ্ছা থেকে যেন দূরে থাকা যায় সে জন্য মহান রবের দরবারে আকুতি-মিনতি তাওহীদমুখিতারই বহিঃপ্রকাশ। তাছাড়া হজের স্থান কা‘বা, সাফা-মারওয়া ও মিনা থেকে আমরা যেসব শিক্ষা লাভ করতে পারি তা উক্ত “হজ শিক্ষা পর্ব ২” শীর্ষক অডিও লেকচারটিতে আলোচনা করা হয়েছে।

  • তাকওয়া ও ইবাদাত চর্চার এক রূপময় কর্মশালা এবং শির্ক, কুফর ও বিদ‘আতমুক্ত হয়ে ঈমানের অনুপম মাহত্ম্য অর্জনের এক সমৃদ্ধ পাঠশালা। হজের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়া ও আখিরাতের নানাবিধ কল্যাণের বিপুল সমারোহ ঘটিয়েছেন বলেই সেসব কল্যাণ অর্জনকে তিনি হজের লক্ষ্যমাত্রা ও মূলমর্ম হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। আলোচক “হজ শিক্ষা পর্ব ১” শীর্ষক ভিডিও লেকচারটিতে হজের মূল শিক্ষার কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন: যেমন, তালবয়িার মহান ধ্বনি, ইখলাস ও ঐকান্তকিতা, তাওয়াফের পর দু’রাকাত সালাত, সাফা-মারওয়ায় সা‘ঈ করার দো‘আ, আরাফার দো‘আ, হাজারে আসওয়াদ চুম্বন, জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপের র্পূব র্পযন্ত তালবয়িা পাঠ করা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেছেন ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী।

  • “হজের দিক নিদর্শন” শীর্ষক ভিডিও লেকচারটিতে, হজের গুরুত্ব ও হজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত মূল্যবান বক্তব্য পেশ করে সম্মানিত আলোচক ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী। হজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ব। হজের মূল শিক্ষা হলো তাওহীদ। হারাম মাসগুলো কীভাবে মুসলিম অতিবাহিত করবেন, এ মাসগুলো থেকে মুসলিমরা কী শিক্ষা নিবে ও একজন মানুষ হজের সকল কার্যাবলী কীভাবে সম্পন্ন করবেন তা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন উক্ত ভিডিও লেকচারটিতে।

  • ইখলাস বাংলা

    ইসলামে ইখলাসের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা ইখলাসের (নিষ্ঠার) সাথে ইবাদত করি। কেননা প্রত্যেক আমলের ফলাফল নিয়্যতের ওপর নির্ভরশীল। বিশুদ্ধ নিয়ত ছাড়া আমল গৃহীত হয় না। মুমিন ব্যক্তি তার আমল অনুযায়ী সাওয়াব পেয়ে থাকেন। যার আমল একমাত্র আল্লাহর জন্য হবে, তার আমলই কবুল হবে। যে ব্যক্তি লোক দেখানো আমল করবে, তার আমল কবুল হবে না। আলোচ্য “ইখলাস” শীর্ষক অডিওটিতে, ইখলাসের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা সম্পর্কিত মূল্যবান বক্তব্য পেশ করেছেন সম্মানিত আলোচক ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া।

  • আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক উল্লেখ করেন যে, আদম আলাইহিস সালামের পর পৃথিবীতে বেশ কয়েকজন ভালো মানুষ ছিলেন। এর মধ্যে পাঁচজন ব্যক্তি ছিলেন যাদেরকে সবাই তাদের ভালোবাসতো। তাদের মৃত্যুর পর শয়তানের প্ররোচনায় প্রথমে তাদের চিত্র অংকন, অতঃপর পাথর খোদাই করে তাদের মূর্তি বানিয়ে তাদের পূজা শুরু করলো। তখন আল্লাহ তা‘আলা নূহ আলাইহিস সালামকে পাঠালেন। নূহ আলাইহিস সালাম তাদেরকে মূর্তি পূজা করতে নিষেধ করলেন, তার কথা শুনে ধনী ব্যক্তিবর্গ তাকে চুপ করতে বললেন, কিন্তু দরিদ্র দুর্বল লোকেরা তাঁর প্রতি ঈমান আনল। তিনি ৯৫০ বছর মানুষকে আল্লাহর পথে ডেকেছেন। কিন্তু অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে নি। তখন আল্লাহ তা‘আলা তাকে একটা নৌকা বানাতে নির্দেশ দিলেন, যা দেকে তার কাওমের লোকেরা উপহাস করছিল। নূহ আলাইহিস সালাম তার সাথীদের নিয়ে নৌকায় উঠলেন, বাকি যারা ছিল সবাই মহা প্লাবনে ডুবে মারা গেলেন।

  • আলোচ্য অডিওটিতে সম্মানিত আলোচক উল্লেখ করেন, আদম আলাইহিস সালাম ছিলেন প্রথম মানুষ এবং প্রথম নবী। আল্লাহ তা‘আলা মাটি দিয়ে তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার (আদম) থেকে সকল মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, আর বিবি হাওয়া আলাইহাস সালামকে সৃষ্টি করেছেন তার (আদম) পাঁজর থেকে। অতঃপর তাদেরকে প্রবেশ করালেন জান্নাতে এবং তাদেরকে বললেন যা ইচ্ছা খেতে পারো, কিন্তু ঐ গাছটির নিকটেও যেও না। কিন্তু শয়তান তাদেরকে বিভ্রান্ত করলো, ফলে তারা আল্লাহর নিষেধ উপেক্ষা করে ঐ গাছের ফল ভক্ষন করলেন। আল্লাহর আদেশ অমান্য করার কারণে তিনি তাদেরকে জান্নাত থেকে বের করে দিলেন। তারা পৃথিবীতে আগমন করলেন। অতঃপর আদম আলাইহিস সালাম আল্লাহর কাছ থেকে কিছু শিখে নিলেন এবং তা আমল করলেন। ফলে আল্লাহ তাদের ক্ষমা দিলেন। এরপর থেকে তাদের থেকে একের পর এক সন্তান আসল। পৃথিবীতে সকল মানুষ তার সন্তান। তাই মানুষকে বলা হয় বনী আদম।

  • আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক উল্লেখ করেন, মানবী জীবনে প্রথম কাজ হচ্ছে, তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা, তারপর আল্লাহর বিধানের কাছে আত্মসমর্পন এবং নিজের চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন। কিন্তু তাওহিদ প্রতিষ্ঠা করতে হলে তিনটি কাজ অবশ্যই করতে হবে: জীবনের সমস্ত কর্মকাণ্ড একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করতে হবে, নিজের নফসের যাতে কোনো অংশ থাকবে না, আল্লাহর নাম এবং গুণ আল্লাহর জন্য স্বীকার করে নিতে হবে, আল্লাহকে তাঁর নাম এবং গুণ দিয়ে তাকে ডাকতে হবে। তারপর ঈমানের মতো করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিপূর্ণভাবে ইসলামকে অনুসরণ করা। তারপর নিজেরে চরিত্রে সংশোধনী আনয়ন করা।

  • আলোচ্য অডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আলোচনা করেছেন : সম্পর্ক কী ও তা কার সাথে রক্ষা করা দরকার; কে বন্ধু হতে পারে না, কার সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা উচিৎ নয়; বিদ‘আতীদের সাথে কীরূপ সম্পর্ক রাখা উচিৎ; আকীদা বিষয়ক সমস্যার সমাধান কী? হাদীস না মানলে সে ব্যক্তির অবস্থা কেমন হতে পারে? ইত্যাদি।

  • “ইসলামী জ্ঞান প্রশ্নোত্তর পর্ব” শীর্ষক আলোচ্য অডিওটিতে, ইন্টারনেট ও স্মার্ট ফোনের কারণে বাচ্চারা যে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তা থেকে পরিত্রাণের উপায়, যৌথ পরিবার দেবর ও ভাবীর পর্দা লঙ্ঘন এড়াতে করণীয়, বর্তমানে তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ আলিমদের মুল্য দিতে চায় না -এ থেকে সমাজ কীভাবে মুক্তি পেতে পারে, যে কোনো ফরয সালাত শেষে ইমাম সাহেব মুসল্লিদের নিয়ে হাত তুলে মোনাজাত করতে পারবে কিনা, যাকাতের টাকা দিয়ে গরীবদের কাপড় কেনা যাবে কিনা, নাকি টাকাই দিতে হবে, গান গাওয়া আর শোনা হারাম কিনা, বাবা দাড়ি না রাখতে চাইলে সন্তানের করণীয়, তারাবীহ-এর সালাত ২০ রাকাত নাকি ৮ রাকাত, স্ত্রী সালাত পড়তে না চাইলে করণীয়, মানসিক অশান্তি দূর করার উপায়, ঈমান ভঙ্গের কারণগুলো কি কি, এ ছাড়াও আরো অনেকগুলো ইসলামিক গুরুত্বপূর্ণ এবং জীবন ঘনিষ্ঠ প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন শাইখ ড. মোহাম্মাদ মানজুরে এলাহি।

  • “রামাদান বিষয়ক জিজ্ঞাসা (নবম পাঠ)” শীর্ষক আলোচ্য অডিওটিতে, রামাদান মাসের ৩০ দিন রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত এ ভাগ করা যাবে কিনা, তারাবীর সালাতে ২ রাকাত ৪ রাকাত পর পর যে দো‘আ মোনাজাত আছে তা সঠিক কিনা, একসাথে ৩ তালাক দিলে তা ১ তালাক হিসেবেই গন্য হবে কিনা, রামাদানে কেউ মারা গেলে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারবে কিনা, বিধর্মীদের সাথে নিয়ে ইফতার করা যাবে কিনা, খাবার হালাল নাকি হারাম তা নির্ধারনের কোন মানদন্ড আছে কিনা, স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর জান্নাত এ কথাটি সঠিক কিনা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নূরের তৈরি নাকি মাটির, সম্মিলিত মোনাজাত করা যাবে কিনা, সাওম রেখে গুল দিয়ে দাঁত মাজা যাবে কিনা ও আরো অনেকগুলো ইসলামিক গুরুত্বপূর্ণ এ সমস্ত জীবন ঘনিষ্ঠ প্রশ্নগুলো নিয়ে শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া কুরআন সুন্নাহর আলোকে জবাব দিয়েছেন।

  • “রামাদান বিষয়ক জিজ্ঞাসা (অষ্টম পাঠ)” শীর্ষক আলোচ্য অডিওটিতে, রামাদান মাসে কবর-এর আযাব বন্ধ থাকে কিনা, সাহরী না খেলে সাওম হবে কিনা, কোনো কারণে যদি ঘুম থেকে উঠে দেখে শরীর নাপাক হয়ে গেছে তাহলে তার সাওম হবে কিনা, ধূমপান করলে অযু নষ্ট হবে কিনা, বিতির সালাত কি ১ রাকাত পড়া যায়, তারাবীর সালাত কত রাকাত, ইস্তিঞ্জা করার পরে কি ঢিলা ব্যবহার করবে নাকি পানি ব্যবহার করবে, নাকি উভয়টাই করবে, বিতর সালাত কীভাবে পড়বে, জায়নামাজের দো‘আ আছে কি, তারাবীর সালাতে ২ রাকাত ৪ রাকাত পর পর যে দো‘আ মোনাজাত আছে তা সঠিক কিনা, ১২ বা ১৪ বছরের বালক ইমামতি করতে পারবে কিনা, টিভি দেখা হারাম কিনা, বাসায় বউ মেয়ে নিয়ে জামা‘আত করে সালাত পড়া যাবে কিনা, চুরি ঠেকাতে কুকুর পোষা যাবে কিনা, বাচ্চার কারণে দেরি করে সালাত পড়লে সাওয়াব পাবে কিনা, মসজিদের চেয়ারে বসে সালাত পড়া শরী‘আতসম্মত কিনা, পরীক্ষার কারণে সাওম ভাঙ্গা যাবে কিনা, ও আরো অনেকগুলো ইসলামিক গুরুত্বপূর্ণ এ সমস্ত জীবন ঘনিষ্ঠ প্রশ্নগুলো নিয়ে শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া কুরআন সুন্নাহর আলোকে জবাব দিয়েছেন।

পেইজ : 5 - মোট : 1
আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ