• বাংলা

    ইসলামী আকীদার জ্ঞান একজন মুসলিমের সবচেয়ে বড় কর্তব্য। আল্লাহ সম্পর্কে, তাঁর নাম ও গুণ সম্পর্কে, আল্লাহর রবুবিয়াত ও উলুহিয়াত সম্পর্কে একজন মুসলিমের যথাযথ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। তাছাড়া ঈমানের অন্যান্য রুকন সম্পর্কেও তাকে জানতে হবে। তাকে জানতে হবে ফিরিশতা, নবী-রাসূল, কিতাব, আখেরাত ও তাকদীরের উপর ঈমান কিভাবে সম্পন্ন হবে। অনুরূপ আরও কিছু আকীদার বিষয় যাতে মানুষ দ্বিধা দ্বন্দ্বে রয়েছে। আলোচ্য গ্রন্থে লেখক আকীদার ইতিহাস, ঈমানের রুকনসমূহ কুরআন ও সুন্নাহর দলীল সহকারে সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন।

  • বাংলা

    প্রত্যেক ঈমানদারের অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে আল্লাহর ওলী হওয়ার চেষ্টা করা। আর মুমিনকে যে সব আমল আল্লাহর নৈকট্য লাভে সহায়তা করে তন্মধ্যে আল্লাহর রাসূলের মুখ নিঃসৃত যিকিরসমূহ অন্যতম। কিন্তু এ ব্যাপারে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন পন্থার অনুসরণ লক্ষ্য করা যায়। তারা প্রায়শই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিখানো ও প্রদর্শিত নিয়মে যিকির না করে নিজেদের ইচ্ছেমত যিকির করে থাকে। অথচ নবীর আদর্শ মোতাবেক না হলে তা কখনো গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। তাই গ্রন্থকার এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত সহীহ হাদীস থেকে যিকির ও ওযীফাসমূহ একত্র করেছেন; যাতে বিদ‘আতী যিকির পরিত্যাগ করে মানুষ এগুলো গ্রহণ করতে পারে।

  • বাংলা

    সুন্নাতে রাসূলকে আঁকড়ে ধরতে হবে এতে মুসলিমের মনে কোনো দ্বিধা থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা অনেকেই সুন্নাতে রাসূল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখি না, সমাজে প্রচলিত বহু বিদ‘আতকে সুন্নাত জ্ঞান করে বসে আছি। আবার অনেকে সুন্নাতকে না জেনে পরিত্যাগ করে বসে বা খেলাফে সুন্নাত কাজ করে থাকে। আলোচ্য গ্রন্থে সুন্নাতে রাসূলের পরিচয়, গুরুত্ব, বিদ‘আত বর্জনসহ সমাজে প্রচলিত বহু কুসংস্কারের ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে।

  • বাংলা

    ইতিহাসে কারা ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী আবিস্কার ও প্রবর্তন করল, আর কিভাবে সেটা শিয়াদের থেকে সুন্নিদের মধ্যে প্রসার লাভ করলো এবং কারা সে কাজটির পিছনে কাজ করেছিল, সে ইতিহাস ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এতে তুলে ধরা হয়েছে।

  • বাংলা

    তাওরাত ও ইঞ্জিলে বিকৃতি সংঘটিত হওয়া ও তাতে নাসখ তথা রহিতকরণ সম্বলিত থাকা, ত্রিত্ববাদী আকীদা বিশ্বাস খণ্ডন, ঈসা মসীহের ইলাহ হওয়ার দাবীর অসারতা প্রমাণ, কুরআনের মু‘জিযা ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নবুওয়ত সাব্যস্তকরণ এবং প্রাচ্যবিদ ও খৃস্টান ধর্মপ্রচারকদের বিভিন্ন সন্দেহের যথাযথ উত্তর সম্বলিত এটি একটি সূক্ষ্ণ সমালোচনামূলক গ্রন্থ। এ পৃষ্ঠাসমূহে সে কালজয়ী মূল্যবান গ্রন্থকেই এক খণ্ডে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে করে তা বুঝতে ও তা থেকে উপকৃত হওয়া সহজ হয়।

  • বাংলা

    বাংলাদেশের খৃস্টান ধর্ম প্রচারকগণ বলে থাকে যে, তাওরাত-ইঞ্জিল না পালন করে কোনো মুসলিম মুক্তি পাবে না। আমরা নাসারা-খৃস্টান নই; আমরা মুসলিম, আমরা ঈসায়ী মুসলিম। আমরা মুহাম্মাদকে মান্য করি, কুরআন ও সকল ধর্মগ্রন্থ মান্য করি। শুধু ঈসায়ী তরীকা গ্রহণ করি। শুধু ভক্তির জন্য ঈসাকে আল্লাহর পুত্র বলি। আমরা বাইবেল মানি না; বরং কিতাবুল মোকাদ্দস মানি। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু আরবদের সতর্ক করতে এসেছিলেন, আর ঈসা মাসীহ বিশ্বের পাপীদের মুক্তির জন্য জীবন দিয়েছেন। ঈসা মাসীহ যেহেতু আবার আসবেন; কাজেই তার উপর ঈমান এনে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া ভাল। ঈসা মাসীহ জীবিত কিন্তু মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত; জীবিতের কাছেই যেতে হবে। ঈসা মাসীহ জীবিতকে মৃত করেছেন কিন্তু মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করেন নি; কাজেই ঈসা মাসীহই বড়। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষ খুন করেছেন; কাজেই তিনি শান্তির দুত নন; ঈসা মাসীহ শান্তির দূত! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাপী, কাজেই তিনি কিয়ামতে শাফা‘আত করতে পারবেন না; ঈসা মাসীহ নিষ্পাপ, তিনিই শাফা‘আত করবেন। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃদ্ধ বয়সে কিশোরী মেয়ে বিবাহ করেন, কাজেই তাঁর চরিত্র ভাল ছিল না। .... এ জাতীয় আরো অনেক নোংরা কথা। এ সকল কথা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে এবং মুসলিমদের আহত করছে। তাদের সন্দেহগুলোর জবাব দেওয়ার জন্য এ পুস্তিকাটির রচনা।

  • বাংলা

    আল্লাহর পথে আহ্বান সব থেকে বড় আমল। কেননা তা নবী-রাসূলদের দায়িত্ব। আর নবী-রাসূলগণ ছিলেন মানুষের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। আল্লাহর পথে আহ্বান আল্লাহকে ও নবীকে জানার পথ দেখায়। শুধু তাই নয় বরং আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং এ কর্মের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ঐ ব্যক্তি থেকে কথায় কে উত্তম যে আল্লাহর পথে আহ্বান করল এবং সৎ কাজ করল। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে দাওয়া বিষয়ক কিছু মূল্যবান আলোচনা এসেছে, যা সবার উপকারে আসবে বলে আশা করি।

  • বাংলা

    আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে হাদীস পঠন, পাঠন ও চর্চা অব্যাহত থাকলেও সহীহ, যয়ীফ ও বানোয়াট হাদীস বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ অবহেলা পরিলক্ষিত হয়। যুগ যুগ থেকে অগণিত বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা কথা আমাদের সমাজে হাদীস হিসেবে প্রচলিত রয়েছে। আলোচ্য পাঠকপ্রিয় গ্রন্থটিতে লেখক প্রথমত হাদীসের পরিচয় ও তা বানোয়াট হওয়ার কারণ উল্লেখ করে বইয়ের দ্বিতীয় পর্বে প্রচলিত বানোয়াট ও ভিত্তিহীন হাদীসগুলো সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন।

আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ