• বাংলা

    ‘সব শির্কের মূল কারণ ও সর্বপ্রথম দাওয়াতের বিষয়’ শীর্ষক আলোচ্য ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর শির্ক ও তার ভয়াবহতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। ইসলামের প্রথম কথা হলো আল্লাহর একত্ববাদ যাকে তাওহীদ বলে। এর বিপরীত হচ্ছে শির্ক, যার অর্থ অংশিদারত্ব। শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় গুনাহ। আল্লাহ তা‘আলা তা কখনো ক্ষমা করবেন না, অন্যান্য গুনাহ আল্লাহ ইচ্ছে করলে ক্ষমা করে দিবেন। কারো অন্তরে, কথায় অথবা কর্মে যদি শির্ক থাকে তাহলে তার সব আমল বাতিল হয়ে যাবে। তাওবা না করে যদি মারা যায় তাহলে চিরস্থায়ী জাহান্নামে যেতে হবে। তাই সত্যিকারের তাওহীদে বিশ্বাস ও শির্ক থেকে বেঁচে থাকা ব্যতীত জান্নাত হাসিল করা সম্ভব নয়। এতএব, আমাদেরকে আকীদার ক্ষেত্রে শির্কমুক্ত তাওহীদপন্থী এবং আমলের ক্ষেত্রে বিদ‘আতমুক্ত সুন্নাতপন্থী হতে হবে।

  • বাংলা

    “সুন্নাহর আলোকে তাকদীরে বিশ্বাস” শীর্ষক এ ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক মানব জীবনে তাকদীরে বিশ্বাসের গুরুত্ব কতটুকু এবং এ বিয়য়ে বিশ্বাস না থাকলে মানুষের কী ক্ষতি হতে পারে তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তথ্যভিত্তিক বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

  • বাংলা

    “সালাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা” শীর্ষক আলোচ্য ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সালাতের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। সালাত আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল ও তাঁর নৈকট্য লাভের ও মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ। আল্লাহ তা‘আলা মানুষ ও জিন্ন উভয় জাতিকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সালাত এমন এক ইবাদত যা সারা বছর দৈনিক পাঁচবার আদায় করতে হয়, মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অবস্থাতেই তা মাফ হয় না এমনকি মৃত্যুশয্যাতেও সালাত হতে বিরত থাকার কোনো বিধান নেই। আর সালাত বাস্তবায়িত হয় তার বিধানাবলী তথা রুকন ও ওয়াজিবসমূহ শিক্ষা, সালাতে একাগ্রতা ও পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমেই।

  • বাংলা

    ‘তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব ক্লাস’ শীর্ষক আলোচ্য ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর দীন ইসলাম ও বাকি ধর্মগুলোকে নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেছেন। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব হলো ধর্ম নিয়ে গবেষণার বিভিন্ন শাখার অন্যতম শাখা। এটা পৃথিবীর ধর্মগুলোর বিভিন্ন আইন-কানূন ও বিধি-বিধানের তুলনামূলক আলোচনা করে। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধর্মের অভ্যন্তরীণ মৌলিক দর্শন ও চিরমুক্তির ধারণা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দান করে। এটা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান একজন মানুষকে ধর্ম ও বিশ্বাস সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দান করে। সত্যিকারের ধর্ম কী এবং একজন মানুষ কীভাবে তা সহজে বুজতে পারবে সম্মানিত আলোচক উক্ত লেকচারটিতে উল্লেখ করেছেন।

  • বাংলা

    “মুসলিম উম্মাহর ঐক্য (প্রশ্নোত্তর পর্ব)” শীর্ষক এ ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন।

  • বাংলা

    আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধর ঐক্যবদ্ধভাবে এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। এ থেকে জানা যায় যে, বিভক্তিমুক্ত ঐক্যের অবস্থাই জামা‘আত। শত্রুতা ও দলাদলি জাহান্নামের প্রান্তে নিয়ে যায় এবং ঐক্য, পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ব তা থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মুসলিম উম্মাহকে এক হয়ে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে, যার মাধ্যমে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য নিহিত হয়েছে। উক্ত লেকচারটি তা-ই আলোচনা করা হয়েছে।

  • বাংলা

    গুরুত্বপূর্ণ কিছু জীবন ঘনিষ্ঠ প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন” এ ভিডিও লেকচারটিতে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির ইসলাম সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর যেমন, গণতন্ত্র, পীর-মাশাইখ, রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমল ও আকীদার নানা প্রকার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামি পোশাক, জাল ও দঈফ হাদীস সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন।

  • বাংলা

    আমাদের মুসলিম সমাজে শবে বরাতকে কেন্দ্র করে নানাবিধ বিদ‘আত প্রচিলত রয়েছে, যা পরিত্যাজ্য। কেননা বিদ‘আতযুক্ত আমল আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ‘প্রত্যেক বিদ‘আত-ই পথভ্রষ্ট’। তাই ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির “সূন্নাহর আলোকে শবে বরাত ও রমাদান পর্ব-১” এ ভিডিও লেকচারটিতে শবে বরাত ও রমাদান বিষয়ক তথ্যবহুল আলোচনা পেশ করেছেন, যা মেনে চললে আমরা পরকালে নাজাত পাবো তাতে কোনো সন্দেহ নাই।

  • বাংলা

    সফর মাস বিষয়ক প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা” এ ভিডিও লেকচারটিতে, আলোচক ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সফর মাস নিয়ে আমাদের মুসলিম সমাজে যে নানাবিধ বিদ‘আত রয়েছে তা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

  • বাংলা

    আমাদের সমাজে ইসলাম প্রবর্তিত ‘ঈদুল ফিতর’ ও ‘ঈদুল আযহা’ নামক দু’টি বার্ষিক ঈদ উৎসবের বাইরে ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ নামে তৃতীয় আরেকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, যা উদযাপন একটি সুস্পষ্ট বিদ‘আত। সারা বিশ্বের বহু মুসলিম অত্যন্ত জাঁকজমক, ভক্তি ও মর্যাদার সাথে আরবী বৎসরের ৩য় মাস রবিউল আউয়ালের ১২ তারিখে এই অনুষ্ঠানে পালন করে থাকে; কিন্তু অধিকাংশ মুসলিমই এর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের সাথে পরিচিত নয়। ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির কুরআন-সুন্নাহর আলোকে “আরবী ক্যালেন্ডার ও ঈদে মিলাদুন্নবীর উৎপত্তি যেভাবে” শীর্ষক এ ভিডিও লেকচারটিতে ‘‘ঈদে মীলাদুন্নবী’’ বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন পালন করা হুকুম এবং এর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ আলোচনা করেছেন।

  • বাংলা

    “সুন্নাহর আলোকে কুরআন তিলাওয়াত” শীর্ষক এ ভিডিও লেকচারটিতে সম্মানিত আলোচক সুন্নাহর আলোকে কুরআন তেলাওয়াতের নিয়ম-পদ্ধতি ও কুরআনী শিক্ষা প্রসার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ তাছাড়া অনেকের ধারণা, না বুঝে কুরআন তিলাওয়াতের কোনো ফায়দা নেই, তা স্পষ্টত একটি বিভ্রান্তিমূলক কথা, যা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তিনি বর্ণনা করেছেন।

  • বাংলা

    আলোচ্য ভিডিও বক্তব্যটিতে আলোচক জামা‘আত শব্দের অথ দল নয় বরং ঐক্য –এটি চমৎকার ভাবে প্রমাণ করেছেন। অতপর জামা‘আত বা ঐক্য একটি মৌলিক ফরয ইবাদাত, জামা‘আত (ঐক্য) এবং তাফাররুক (বিচ্ছিন্নতা) এটি দৈহিক নয়; বরং ক্বালবী ইবাদাত এ বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে প্রামানিক তথ্য উপস্থাপন করেছেন। সর্ব শেষ ঐক্য কীভাবে করা যায়, ঐক্য রক্ষার গুরুত্ব ও তাফাররুক কেন হয় তার যুক্তিমূলক আলোচনা তুলে ধরেছেন।

  • বাংলা

    আলোচ্য ভিডিও বক্তব্যটিতে আলোচক ঐক্যের তাথ্যিক ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। সেই সাথে জামা‘আত শব্দের তথ্য ভিত্তিক বিশ্লেষণ ও মুমিনের মৌলিক গুণাবলীর বর্ণনা পেশ করেছেন। অতঃপর নেশা শব্দটির প্রয়োজনীয় আলোচনার পর অসীলাহ এর তুলনামূলক পযালোচনা তথা আল্লাহর কাছে মাধ্যম ছাড়া চাইতে না পারার ভ্রান্ত ধারণা প্রসঙ্গে দৃষ্টান্তমূলক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন। পরিশেষে আরবী শব্দের সঠিক অর্থ না বুঝার কারণে কীভাবে আমরা ঈমান থেকে শির্কে পতিত হচ্ছি তার উপমা পেশ করেছেন।

  • বাংলা

    বর্তমান বাংলাদেশে শিয়ারা খোলাফায়ে রাশেদীন সম্পর্কে মানুষের মনে বিদ্রুপ ধারণা সৃষ্টির প্রয়াস চালাচ্ছে। অথচ তারা ছিলো রাসুলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সবচেয়ে কাছের মানুষ। তাঁদের ব্যাপারে কোনো সাহাবীর ভিন্নমত পোষণ করার সুযোগ ছিল না এবং কেউ ভিন্নমত পোষণ করেন নি। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য দো‘আ করেছেন। এরপরও কীভাবে কিছু মুসলিম নামধারী উনার ব্যাপারে খারাপ মন্তব্য করছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত থাকাবস্থায় আবু বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু স্বয়ং সালাতের ঈমামতি করেছেন। যারা এসব কথা বলে বেড়ায় তারা কোনোদিন মুসলিম হতে পারে না। আমরা কোনো সাহাবীকেই ছোট করে দেখব না। আল্লাহর রাসূল তাঁদের যেভাবে মর্যাদা দিতে বলেছেন আমরা সেভাবে র্মযাদা দিবো।

আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ