বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরি

শিয়া বিষয়ক ফাইল

এ ফাইলে শী‘আ বা শিয়া ফের্কার লোকদের আকীদা-বিশ্বাস বর্ণনা করা হয়েছে।

আইটেম সংখ্যা: 12

  • PDF

    যে সব বিদ‘আতের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে আমাদের বর্তমান মুসলিম সমাজে তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, বারো ইমামের অনুসরণ করার দাবীদার ইমামিয়া শিয়াদের অপতৎপরতা। এ গ্রন্থে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের বিখ্যাত চার মাযহাবের ইমামদের সম্পর্কে উক্ত বারো ইমামী ফির্কার শিয়াদের অপবাদসমূহ তুলে ধরে সেগুলো খণ্ডানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

  • PDF

    লেখক বলেন: বর্তমান শিয়া-রাফেযিরা মুসলিম উম্মার ত্রাতা বনেছে, যাদের ধর্ম আহলে বায়তের কথিত মহব্বতে সীমালঙ্ঘন করা, কুরআনুল কারিমে বিকৃতিতে বিশ্বাস করা, সাহাবিদের অভিসম্পাত করা, উম্মুল মোমেনিনদের উপর অপবাদ আরোপ করা, রাত-দিন সাহাবিদের থেকে সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেওয়া ও মুসলিম জাতির সাথে প্রতারণা করা। তারা আজও ‘হিযবুল্লাহ’ ও তার মিথ্যা শ্লোগানের আড়ালে মুসলিমদের গালমন্দ করে বিশ্বসভাকে জানান দিচ্ছে যে, তারাই মুসলিম উম্মার ত্রাতা ও অভিভাবক। অনেক নাদান মুসলিমকে আমরা জানি, যারা লেবাননি শিয়া সংগঠন ‘হিযবুল্লাহ’র আসল স্বরূপ সম্পর্কে অজ্ঞ, বরং ধোঁকায় লিপ্ত। তাদের কারো অজ্ঞতা এতো প্রকট যে, তারা ‘হিযবুল্লাহ’র প্রধান হাসান নাসরুল্লাকে হিরো জ্ঞান করে, তাকে বাহবা দিয়ে তার মাথায়-হাতে চুমু খায় ও খেতে বলে। তারা হিযবুল্লাহ, হিযবুল্লার উদ্দেশ্য, হিযবুল্লার আকিদা ও নিষ্পাপ মানুষের রক্তে রঞ্জিত তার কালো ইতিহাস সম্পর্কে চরম অন্ধকারে কোনো সন্দেহ নেই।

  • PDF

    গ্রন্থটিতে লেখক শিয়াদের সম্পর্কে শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ এর মতামত এবং শিয়া-রাফেযীদের কিছু আকীদা-বিশ্বাস ও তাদের নিন্দনীয় কর্মকাণ্ড তাঁরই গ্রন্থ মিনহাজুস সুন্নাহ থেকে সংক্ষেপে তুলে ধরেছেন।

  • PDF

    এ পুস্তিকাটি মূল আরবি কিতাব (فرق معاصرة تنتسب إلى الإسلام وبيان موقف الإسلام منها) এর “নুসাইরিয়া” অধ্যায়ের বাংলা অনুবাদ। এখানে শিয়া দ্বাদশ ইমামিয়া থেকে বের হয়ে আসা নুসাইরি [আলাবি] বাতেনি ফেরকার ইতিহাস, আকিদা ও মুসলিম বিদ্বেষের বর্ণনা পেশ করা হয়েছে। বর্তমান সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ ও তার সম্প্রদায়ের ধর্ম ও আকিদা জানতে ইচ্ছুক পাঠকগণ এ থেকে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।

  • PDF

    শিয়া ইমামিয়াদের দাবি কুদস তাদের প্রথম লক্ষ্য, তারা দুর্বল ফিলিস্তিনিদের পক্ষে। তারা মসজিদে আকসা মুক্ত করার জন্য যুদ্ধ করবে। তারা কুদসের একটি দিন নির্ধারণ করেছে ‘কুদস দিবস’ নামে, একটি বাহিনীর তৈরি করেছে “জায়শুল কুদস” বা “ফায়লাকুল কুদস” নামে, একটি সম্প্রচার সংস্থা চালু করেছে “কুদস সম্প্রচার সংস্থা” নামে, একটি পথের নামকরণ করেছে “তারিকুল কুদস” নামে। অথচ আমরা দেখছি সে পথ উল্টো ইরাক ও আফগানিস্তানের দিকে দাবিত হচ্ছে! আসলে শিয়াদের এসব নিফাকি ও প্রতারণা, বা তাদের ধর্মীয় ভাষায় ‘তাক্বীয়্যার’ ছলনা, বরং রাজনৈতিক কৌশল। অথচ শিয়াদের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে ফিলিস্তিনে অবস্থিত মসজিদে আকসার কোন মূল্য নেই, বরং প্রকৃত মসজিদে আকসা নাকি আসমানে!! ফিলিস্তিনে অবস্থিত মসজিদে আকসাকে মসজিদে কুদস বলে জনসাধারণকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে!! এ পুস্তকে লেখক তাদের এসব মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করেছেন যথার্থভাবে।

  • PDF

    লেখক বলেন: সত্য বলতেই হয়, আমি মনে করতাম আহলে বায়েতের শিয়ারা মুসলিমদের একটি দল, তারা আহলে বায়েতের মহব্বতে বাড়াবাড়ি করে ও তাদের পক্ষ নেয়। আরো মনে করতাম তারা শুধু ইসলামের আনুষঙ্গিক বিষয়ে আহলে সুন্নাহর সাথে দ্বিমত পোষণ করে বিভিন্ন ব্যাখ্যার আশ্রয়ে, কুরআন ও হাদিসের সাথে যার নিকটতম বা দূরতম সম্পর্ক রয়েছে। এ জন্য আমি অনেক বিরক্তি বোধ করতাম বরং দুঃখিত হতাম সেসব ভাইদের কারণে, যারা শিয়াদের ফাসেক বলে ও তাদের সম্পর্কে এমন মন্তব্য করে যা তাদেরকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়, তবে এ হালত বেশী দীর্ঘ হয়নি, আমার জনৈক দীনি ভাই আমাকে শিয়াদের কিতাব দেখার পরামর্শ দিলেন, যেন আমি তাদের ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি। এ জন্য “আল-কাফি” গ্রন্থটি নির্বাচন করা হল। এ কিতাবটি শিয়া মাযহাবের শ্রেষ্ঠ দলিল। আমি তা পড়লাম এবং তা থেকে কতক বাস্তবতা নির্ণয় করলাম, যা আমাকে বাধ্য করেছে সেসব ভাইদের নিকট ওজর পেশ করার জন্য, যারা আমাকে ভুল বলতেন ও নিষেধ করতেন শিয়াদের প্রতি আমার দুর্বলতা ও তাদের প্রতি আমার ঝুঁক দেখে। আমি আশা করি এর ফলে কতক রুক্ষ্মতা দূর হবে যা নিঃসন্দেহে আহলে সুন্নাহ ও হক বা না-হক পন্থায় ইসলামের দাবিদার শিয়াদের মাঝে বিদ্যমান। আমি শিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ কিতাব “আল-কাফি” থেকে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা পেশ করছি, তারা এ কিতাবের ওপরই নিজেদের মাযহাব প্রমাণ করার জন্য নির্ভর করে। আমি প্রত্যেক শিয়াকে পূর্ণ ইখলাস ও ইনসাফের সাথে এসব বাস্তবতায় চিন্তা করে শিয়া মাযহাব ও শিয়া সম্পর্ক রাখা-না রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আহ্বান করছি।

  • PDF

    শীয়া মতবাদের বিস্তৃতি: উম্মতে মুসলিমার জন্য বর্তমানকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ফিতনা হচ্ছে শীয়াদের ফেতনা। তাদের শত্রুতা অপ্রকাশিত। তারা তাদের ফেতনা গোপন করে রাখে। অথচ তারা আহলে সুন্নাতের সবচেয়ে বড় শত্রু। এ গ্রন্থটিতে এ বিষয়টি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।

  • PDF

    গ্রন্থকার এখানে ইমামিয়া জা‘ফরিয়া শিয়াদের আকীদা বিশ্বাস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা তাদের গ্রন্থের সাহায্যে তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে, তারা ইহুদী, খ্রিষ্টান ও সকল মুশরিকদের মত আল্লাহর সাথে শির্কের আকিদা (বিশ্বাস) পোষণ করে। তাছাড়া তারা ‘বাদা’ এর আকিদা পোষণ করে, যা আল্লাহ তা‘আলার প্রতি অজ্ঞতার সম্পর্ককে আবশ্যক করে তোলে। অনুরূপভাবে তারা বার ইমামের নিষ্পাপ হওয়ার আকিদা পোষণ করে; যা সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খতমে নবুওয়তের আকিদার পরিপন্থী। তাছাড়া তারা ‘কুরআন বিকৃত ও পরিবর্তিত অবস্থায় মওজুদ রয়েছে এবং তাতে বেশি ও কম করা হয়েছে’ — এমন আকিদা বিশ্বাস পোষণ করে; আর এটা তাদের নোংরা ও নিকৃষ্ট আকিদাসমূহের অন্যতম, যা তাদেরকে ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়া আবশ্যক করে তোলে। তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আলী, হাসান ও হোসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম-দের অসম্মান করে। আর মুমিন জননী, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুন্না-দের অসম্মান করে থাকে। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা, বিশেষ করে নারীদের নেত্রী ফাতিমা যাহরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুন্না-দের অসম্মান করে। তারা আব্বাস, ইবনু আব্বাস ও ‘আকিল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম-দের অপমান করে। তারা খোলাফায়ে রাশেদীন, মুহাজির ও আনসার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম-দের অপমান করে। তারা আহলে বাইত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম তথা নবী পরিবার-পরিজনের মধ্যকার ইমামদের অপমান করে থাকে। তারা ‘তাকিয়া এর আকিদায় বিশ্বাসী। তারা মুত‘আ বিয়ের (সাময়িক বিয়ে) বৈধতা দেয়। তারা মহিলাদের যৌনাঙ্গ ধার করার (বেশ্যাবৃত্তি) বৈধ মনে করে। তারা নারীদের সাথে সমকামিতা বৈধ মনে করে। তারা রাজ‘আ বা পুনর্জন্মের আকিদায় বিশ্বাসী; তারা মৃত্তিকার আকিদায় বিশ্বাসী। তারা হোসাইনের শাহাদাতের স্মরণে মাতম, বক্ষ বিদীর্ণকরণ ও গালে আঘাত করার মধ্যে সাওয়াব প্রত্যাশার আকিদা; যা বিপদে ধৈর্য অবলম্বন করার ইসলামী আকিদা বিশ্বাসের পরিপন্থী।

  • PDF

    শিয়া জা‘ফরীয় দীনের সাথে মুসলিমদের কোথায় কোথায় সত্যিকারের বিরোধ রয়েছে তা গ্রন্থকার বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি তাদের গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি নিয়েছেন যে, তারা মূলত এমন এক বিশ্বাসে বিশ্বাসী যার সাথে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আলেম ও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের কোন মিল নেই। তারা কুরআন, হাদীস, ঈমানের রুকন, সাহাবী ইত্যাদি বিষয়ে আহলে সুন্নাতের বিপরীত বিশ্বাসে বিশ্বাসী। তারা তাকিয়া নামের মুনাফেকীতে বিশ্বাসী। তারা ‘গাদীরে খুম্’ নামের মিথ্যা বর্ণনা দিয়ে তাদের গ্রন্থগুলো ভর্তি করে রেখেছে। তারা ইসলামের দুশমনদের হাতের ক্রীড়নক হিসেবেই কাজ করছে।

  • PDF

    শিয়াদের সম্পর্কে যাদের জানা আছে, তারা অবশ্যই জানেন যে, তাদের বিভিন্ন দল ও উপদলে এমন বৈপরীত্য, স্ববিরোধীতা ও দ্বিমুখি নীতি রয়েছে, যার কোন শেষ নেই, অন্য বাতিল ধর্মেও যার নজির পাওয়া দুষ্কর। আল্লাহর শরিয়ত তো পরের কথা, যিনি বলেছেন: “যদি এ কিতাব আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো পক্ষ থেকে হত, তবে অবশ্যই তারা এতে অনেক বৈপরীত্য দেখত পেত”। লেখক এ কিতাবে শিয়া বারো ইমামিয়াদের মাজহাবে বিদ্যমান কতক প্রশ্ন ও বৈপরীত্য সংগ্রহ এবং তা জমা করার প্রয়াস পেয়েছেন, যা শিয়া বারো ইমামিয়াদের প্রতি উত্থাপিত হয়, কুরআন ও হাদিসে ফিরে যাওয়া ব্যতীত যা থেকে নিষ্কৃতি লাভের কোন উপায় নেই, হয়তো তাদের যুবকরা এসব বৈপরীত্য দেখে উপকৃত হবে এবং স্বীয় আখেরাতের চিন্তা করে সত্য গ্রহণ করবে।

  • PDF

    একটি গুরুত্বপূর্ণ পুস্তিকা। শিয়া সম্প্রদায়ের উন্মেষের ইতিহাস অনুসন্ধান, তাদের রাফেযী সম্প্রদায় হিসেবে খ্যাতি পাওয়ার কারণ, শিয়াদের মৌলিক আকীদা-বিশ্বাস, যার কারণে সরল-সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গোমরাহ ফেরকায় পরিণত হয়েছে এসবের দলিলনির্ভর আলোচনা স্থান পেয়েছে বক্ষ্যমাণ এই পুস্তিকায়।

  • PDF

    দ্বাদশ-ইমামী শিয়া ধর্মের মূলনীতিসমূহের সুস্পষ্ট রূপরেখা: শিয়া-সুন্নী ঐক্যের যে দাওয়াত দেখা যাচ্ছে, তা গ্রন্থকার বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে তা অসম্ভবতা ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি তাদের গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি নিয়েছেন যে, তারা মূলত: ঐক্য চায় না, বরং তারা চায় তাদের মতামত প্রচার ও প্রসার করতে। কারণ, যারা শিয়া মাযহাব রচনা করেছে তারা ঐক্যের কোন সুযোগ সেখানে অবশিষ্ট রাখে নি।

আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ